শুক্রবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৩

যিশু: মানবতার প্রবল আলো I

  যিশু: মানবতার প্রবল আলো I



যিশু নাজরেথের, যাকে খ্রিষ্ট বা ইসু খ্রিষ্ট বলা হয়, বিশ্বের ইতিহাস এবং ধর্মে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। এর জীবন, শিক্ষা, এবং প্রভাব দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে মানব বিশ্বের বিশ্বাস এবং আচরণে গভীর স্পর্শ করে আসে। এই সংক্ষিপ্ত আলোচনায়, আমরা যিশুর জীবন, তার শিক্ষা, ক্রুশন, ও পুনরুত্থান সহ প্রধান দিক নিয়ে আলোচনা করব।

যিশুর জন্ম এবং প্রারম্ভিক জীবন

যিশুর গল্পটি বেথলেহেমে শুরু হয়, একটি প্রাচীন যূদেয়ের ছোট শহর, যা বর্তমানে পশ্চিম বঙ্গকের একটি অংশ। বাইবেলের নতুন নিরুপিতে এই নামটি যেশু এবং যোসেফের পুত্র হিসেবে বলা হয়। এই নামের জন্মদিন খ্রিষ্টমাস হিসেবে ব্রস্ট হয়। ম্যাথিউ এবং লূকের সুসংক্ষেপণীয়টি এই জন্মের প্রতিবর্ষের ঘটনা দেয়। ম্যাথিউর ইয়েসুদের জন্মের প্রতিবর্ষে ম্যাগির দর্শন রয়েছে, যখন লুকের সুসংক্ষেপণীয়টি তাদের জন্মের দ্বিপ্রকাশন ঘটনা বর্ণনা করে।

তার জন্ম পরে, যিশু নজরেথে বড় হওয়া ব্যাপিত তথ্যগুলির প্রতিবন্ধ করে, তবে বাইবেলে তার এই সময়ের সংক্ষেপণ প্রদান করে না, তাতে বলা হয় যে, তিনি একটি বিশ্বাসী ইহুদী পরিবারে বড় হয়ে উঠেছিলেন, যেখানে ইহুদী ধর্মের প্রথানা এবং শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত ছিলেন।

যিশুর মন্ত্রণা

যিশুর বৃদ্ধি পাওয়া তার ত্রিশ বছর বয়সে, যখন তিনি ইয়েহুদি ধর্মপ্রচারক যোহনের ব্যাপারে শিক্ষা পেয়েছিলেন। তার ব্যাপারে বাপ্তিস্মা দেওয়া হয় যেহুদি ধর্মপ্রচারক যোহনের দ্বারা যোর্দান নদীতে। এই বাপ্তিস্মার পরে, তিনি চলে এসে তার মিশন শুরু করেন।

যিশুর মিশনে তার অলিন্দ এবং প্রদুর্দুর্দ্য দ্বারা ভ্রমণের প্রবৃত্তি ছিল, সোয়াজনক শিক্ষা, রোগীর চিকিৎসা, পীড়িতকে খাবার দেওয়া এবং বিভিন্ন আশ্চর্য কাজ সাধনে। তার শিক্ষা বৈপরীন্য এবং ভালোবাসা, দয়া, ক্ষমা, এবং ঈশ্বরের রাজ্যের উল্লেখ করে। অনেকবার তিনি উপমার্গ বা সংক্ষিপ্ত গল্পের মাধ্যমে গভীর নীতিগুলি প্রদান করতেন।

আদ্ভুত এবং দেবদূতীয় গুণ যুক্ত যিশু

তার মিশনের প্রতিস্থাপন সময়ে যিশু বলা হয়, যে তার দেবদূতীয় স্বভাব এবং ঈশ্বরের শক্তির মাধ্যমে কাজ করা হয়েছিল। এই গুণগুলির সাথে, তার প্রযাণের সাথে বিভিন্ন দিব্য গুণ সহ কত গুণগুণ অদ্ভুত অদ্ভুত সময়গুলি সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত আছে। তিনি অন্ধকারে দেখান, অন্ধকার থেকে দীপ্তি দেন, মৃতককে জীবিত করেন এবং পানি ময় শরীরের উপর ক্রিয়া করেন। এই ক্রিয়াগুলি তার দেবীয় স্বভাব এবং ঈশ্বরের শক্তির মাধ্যমে কাজ করার প্রমাণ হিসেবে দেখা হয়।

ক্রুশন এবং পুনরুত্থান

যিশুর ক্রুশন খ্রিষ্টান ধর্মে মৌলিক ঘটনা। বাইবেলে বলা হয় যে, তিনি রোমান কর্তৃপক্ষ দ্বারা গ্রেফতার, বিচারণা করা, এবং ক্রুশিত হন, সম্ভবভাবে 30-33 সালের দিকে। এই ঘটনাটি খ্রিষ্টমাসে গুড ফ্রাইডে স্মরণ করা হয়। খ্রিষ্টান বিশ্বাসে বলা হয় যে যিশুর ক্রুশন একটি উত্তরণকারী অবতারণা, মানবতার পাপের দ্বার কাটা। তার দু:খপূর্ণ মৃত্যু এবং মরণের উপর তার সাহস দেখানো হয় এবং প্রেম ও মুক্তির প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়।

তিনি তার ক্রুশনের তিন দিন পর পুনরুত্থিত হয়, এটি ঈষ্টার সোমবার হিসেবে উৎসব করা হয়। এই পুনরুত্থান খ্রিষ্টান বিশ্বাসের মধ্যে মৃত্যুর উপর জীবনের জয় এবং যিশুর প্রাণের মিষ্টির প্রমাণ হিসেবে ব্যাপিত। তার পুনরুত্থান পর তার শিষ্যদের এবং অনুযায়ীগণের সামনে প্রকট হওয়াটা এই ঘটনাটির বাস্তবতা আরো নিশ্চিত করে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

monetag link share

  নিচের   নিল লিখা গুলো Facebook   উপরে পোস্ট   করুন। U.S.A/UK/Canada যে কোন মুভিজ পাবলিক গ্রুপে পোস্ট করতে হবে এবং পোস্ট লিঙ্কটি কাজের...